Skip to main content

ব্যাকরনগত ভুল প্রমান করে কোরআন আল্লাহর বানী নয়

 আল্লাহর বাণীর সত্যতা নিরূপণের লক্ষ্যে কোরআনের একটি আয়াত এখানে উল্লেখ করা হল। 

শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি।

 আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়।

       সুরা বাকারাহ - ২৫৫

যদি আল্লাহ জিবরাঈল ফেরেশতা মারফত এই আয়াত নবীর নিকট প্রেরন করতেন তাহলে সেটি হতো নিন্মরুপ।

আমি পরম করুণাময় । তোমরা আমার নামে শুরু কর এবং শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা কর । 

আমি ছাড়া তোমাদের কোন উপাস্য নাই । আমি চিরঞ্জীব এবং সমস্ত কিছুর রক্ষণাবেক্ষণকারী । আমাকে তন্দ্রা এবং নিদ্রা স্পর্শ করে না ।  আকাশমণ্ডল ও্ ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুই আমার । আমি লোকদের প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশিত অবস্থা সম্পর্কে জানি। মানুষ আমার জ্ঞানের কোন কিছু আয়ত্ব করতে সক্ষম নয় ।

এখানে মাত্র একটি আয়াতের মাধ্যমে কোরআনের ব্যাকরনগত ভূল তুলে ধরা হল। ভূল অল্প কয়েকটি আয়াতে হলে তা মেনে নেওয়া যেত। কিন্তু কোরআনে এই রকম অসংখ ভূল রয়েছে। মূলত মূর্খ লোকেরা চালাক ও ধূর্ত হয় কিন্তু বুদ্দ্বিমান হতে পারে না । তাই পর্যাপ্ত জ্ঞ্যান ও বুদ্দ্বির অভাবে প্রচুর ড়ূল করে কিন্তু  বুদ্দ্বিমানদের নিকট তাহা ধরা পড়ে যায় । এই সমস্ত আয়াতের দ্বারা প্রমাণিত হয় কোরআন আল্লাহর বাণী নয় । 

কোরআনের ন্যায় এত অধিক পরিমাণের ব্যাকরণগত  ভুল অন্য কোন ধর্ম গ্রন্থে লক্ষ্য করা যায় না । অথচ কোরআন নাকি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ ?

 মুলত সুবিধাবাদীরা নিজেদের মনের ইচ্ছাকে আল্লাহর নামে চালিয়ে  দিয়েছে । কিন্তু সঠিক ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে বলতে পারে নাই । সেই অবস্থায়ই ঐগুলো  কোরআনে লিপিবদ্ধ হয়েছে । কোরআন সংকলনের সময় তারা এই বিষয়টির দিকে লক্ষ্য করে নাই । তাছাড়া কোরআনের মতে আল্লাহর বাণী সংযোজন ও পরিবর্তন করলে চিরদিন দোজখের আগুনে জ্বলতে হবে । 

কথায় বলে - চোরে চুরি করলে তার কিছু আলামত রেখে যায়।

ব্যাকরনগত ভুল প্রমান করে কোরআন আল্লাহর বানী নয়


Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের আইনে কি সবার জন্য সমান অধিকার প্রয়োগের অধিকার প্রধান করে.?

 সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে কিছু দিন আগে। এতে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুব সুন্দর , একজন অপরাধীর পরিচয়  সে একজন অপরাধী।  সে কোন ধর্মের অনুসারী, কোন দলের অনুসারী, তার জনমত কেমন, তা দেখে কি অপরাধীর অপরাধ বিচার করা হয়.?? প্রতিদিন ধর্ম তুলে প্রদীপের উপর যে নোংরা বুলি আওড়ানো হয় সেটা কখনোই আইনের শাসন হতে পারে না.! বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য যে বেআইনি কাজকর্ম করে তার অধিকাংশই কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের অনুসারী এখন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? ওসি প্রদীপ যদি সত্যিই অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমরা সবাই তার সঠিক সাজার দাবি জানাই কিন্তু তার আগে আমার কিছু কথা বলার আছে- ১.দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার কি আমরা পেয়েছি? তার খুনের ঘটনায় জড়িত সবাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেলের বাইরে। ২।চার বছরের ছোট শিশু পুজার ধর্ষণের মামলা কেন জুলে আছে?       ৩৮বছরের সাইফুল ইসলাম ছোট বাচ্চাটার যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে দিয়েছিল, সেই ঘটনার কোন বিচার হয়নি কেন? ৪।২০১৫ ...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????