Skip to main content

Posts

Showing posts from 2021

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????

হিন্দু VS মুসলিম

হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে দুটি কথা বলি। ইসলাম ধর্মের সঙ্গে তুলনায় হিন্দু ধর্ম কে অনেকে উদার ধর্ম হিসাবে অভিহিত করে থাকে। আমি মনে করি- এই অভিমত একেবারেই সত্যের নিকটস্থ নয়। হিন্দু ধর্ম এমন একটি ধর্মমত যার দ্বারা তাদের নিজেদের ধর্মের লোক যারপরনাই পীড়িত ও শোষিত, নির্যাতিত।   আপনি আজও পশ্চিম বঙ্গের গ্রামাঞ্চলে গেলে দেখতে পাবেন, বাওন অর্থাৎ ব্রাম্মন পাড়া, কায়েত পাড়া, মন্ডল  পাড়া, চাঁড়াল পাড়া বা নমঃ পাড়া। এরা নিজেরাই  নিজেদের ঘৃনা করে। এখন ও এটি সত্য। মোগল- সরাই  স্টেশনের নাম, দীনদয়াল উপধ্যায় স্টেশন যে বা যারা  করেন, তাদের মহা গুরুরাই এই বিভেদ কামি সমাজের  প্রবক্তা। আর হিন্দুদের এই মহান নির্মম বিভেদ নীতির  কারণে চন্ডাল সমাজের মান্যবর নেতা জনাব যোগেন  মন্ডল ভারতের সাথে না গিয়ে তিনি পাকিস্তানের সাথেই  থেকে যান, এবং পাকিস্তানের মন্ত্রী-মন্ডলে আইন মন্ত্রীর  স্থান পান। তার এই সিদ্ধান্ত, আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত প্রমাণ  হয় কারণ ইসলামী পাকিস্তান শেষপর্যন্ত এই অস্পৃশ্য  হিন্দু কে হিন্দু বলেই মনে করেছিল। নিজেদের একজন  বলে ভাবতে পা...

লাভ জিহাদ

  সকল ধর্মই সত্য ও সুন্দর, সকল ধর্মই মানবতার কথা বলে, রাম-রহিম সমান, সবার উপরে মানুষ সত্য, যত মত তত পথ-- ইত্যাদি মুখরোচক মিথ্যা কথাগুলো শুধুমাত্র হিন্দুরাই বিশ্বাস করে। খ্রিস্টান, মুসলমান, বৌদ্ধ কেউই এসব মিথ্যা কথা বিশ্বাস করে না। তারা নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ ও সত্য বলে বিশ্বাস করে। হিন্দুরা ভন্ডমূর্খ গুরুদের অনুসারী হয়ে এসব ফালতু কথা বলে বা ভূল বুঝে। মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি স্ট্রেটকে পর্যবেক্ষন করলেই এটা বুঝা যায়। ইসলাম মতে মানুষ দু রকমের, মুসলমান এবং অমুসলমান (কাফের)। কোরান মতে, একজন মুসলমানের সবথেকে পূণ্যের কাজ হলো জিহাদ করা, অর্থাৎ ইসলাম কায়েম করা, না মানলে মুসরিক ও কাফেরদের হত্যা করা। তাই কোরানের নির্দেশ হলো-- কাফেরদের যেখানে পাও, সেখানেই হত্যা করো, তাদের গর্দানের উপর আঘাত কর এবং কাট জোড়ায় জোড়ায়, তাদের ঘরবাড়িতে আগুন দাও, তাদের সর্বস্ব লুট কর, তাদের মহিলাদের ধর্ষণ কর, তাদের শিশুদের আছাড় দিয়ে মেরে ফেল ইত্যাদি। বিশ্বাস না হলে পড়ে দেখুন কোরানের ৪/৩, ৭৪, ৭৬, ৯৪-৯৬, ১০১; ৮/১২-৪০, ৪১, ৫৫-৭৫; ৯/৫, ১৪, ২৮, ২৯, ৩৩, ৬৮, ৭২, ৭৩, ১১১, ১১৩, ১২৩; ১৪/১৬-১৮; ২২/১৯, ২৩, ৭৮; ৪৭/১-১৫; ৪৮/২৮, ২৯; ৫৫/৪১-৭...