সকল ধর্মই সত্য ও সুন্দর, সকল ধর্মই মানবতার কথা বলে, রাম-রহিম সমান, সবার উপরে মানুষ সত্য, যত মত তত পথ-- ইত্যাদি মুখরোচক মিথ্যা কথাগুলো শুধুমাত্র হিন্দুরাই বিশ্বাস করে।
খ্রিস্টান, মুসলমান, বৌদ্ধ কেউই এসব মিথ্যা কথা বিশ্বাস করে না। তারা নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ ও সত্য বলে বিশ্বাস করে। হিন্দুরা ভন্ডমূর্খ গুরুদের অনুসারী হয়ে এসব ফালতু কথা বলে বা ভূল বুঝে।
মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি স্ট্রেটকে পর্যবেক্ষন করলেই এটা বুঝা যায়।
ইসলাম মতে মানুষ দু রকমের, মুসলমান এবং অমুসলমান (কাফের)। কোরান মতে, একজন মুসলমানের সবথেকে পূণ্যের কাজ হলো জিহাদ করা, অর্থাৎ ইসলাম কায়েম করা, না মানলে মুসরিক ও কাফেরদের হত্যা করা।
তাই কোরানের নির্দেশ হলো-- কাফেরদের যেখানে পাও, সেখানেই হত্যা করো, তাদের গর্দানের উপর আঘাত কর এবং কাট জোড়ায় জোড়ায়, তাদের ঘরবাড়িতে আগুন দাও, তাদের সর্বস্ব লুট কর, তাদের মহিলাদের ধর্ষণ কর, তাদের শিশুদের আছাড় দিয়ে মেরে ফেল ইত্যাদি।
অতএব সাধু সাবধান। চ্যালা মাছ যেমন কাদার মধ্যে থাকে কিন্তু গায়ে কাদা লাগে না, তেমনি হিন্দুদেরও সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে হবে, কিন্তু গায়ে কাদা লাগানো যাবে না, যেমন অন্যরা লাগায় না।
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন যেঃ
কোন একজন হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হলে কিন্তু হিন্দুর সংখ্যা শুধু কমে না, শত্রুসংখ্যাও বাড়ে। তাই অস্তিত্ব রক্ষার্থে যেকোনো মূল্যে ধর্মান্তর প্রতিরোধ করতে হবে।
ইসলামে নারির মর্যাদা কেমন.??
দেখুন আল্লাহ কি বলেছেন,
"পুরুষ নারীর কর্তা।... স্ত্রীদের মধ্যে যাহাদের অবাধ্যতার আশংকা কর, তাহাদের প্রহার কর"। [কোরান ৪/৩৪]
" তেমার স্ত্রী হলো তোমার জন্য শস্যক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদের ব্যবহার কর"। [কোরান ২/২২৩]
"মানুষকে মোহগ্রস্ত করেছে নারীর মত আকর্ষণীয় বস্তুসামগ্রী। এইসব হচ্ছে পার্থিব জিবনের ভোগ্যবস্তু"। [কোরান ৩/১৪]
অর্থাৎ ইসলামে নারি হচ্ছে শুধুই ভোগ্যবস্তু আর সয়তানের দূত। যে সন্তা জন্ম দেওয়া, পুরুষের মনোরঞ্জন ও সেবা করাই শুধু তার কাজ।
(বাস্তবতা সরিয়া আইনে চলা সৌদি, পাকিস্তান, আফগানিস্তান (তালেবান) ইত্যাদি)
নারী কার ভোগ্য বস্তু.? মানুষের.? মানুষ কারা.?
পুরুষরাই মানুষ।
আল্লাহর দৃষ্টিতে নারী কি তবে মানুষ নয়.?
হাদিসে এর উত্তরে নবীজি বলেছেন, "নিশ্চয়ই স্ত্রীলোক সয়তানের আকৃতিতে আগমন করে ও শয়তানের আকৃতিতে প্রত্যাবর্তন করে। [১৫/মোসলেম]
" স্ত্রীলোক শয়তানের ফাঁদ।" [শোবল ঈমান, পৃ.১৮৮]
"নারী হলো গাধা ও কালো কুকুরের সমতুল্য। কালো কুকুর একটা শয়তান।" [১০৩৩/ মুসলিম শরীফ]
"পুরুষ যে কারনেই তার স্ত্রীকে প্রহার করে, সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে না।" [আবু দাউদ, ইবনে মাজা, পৃ. ১৩৪]
অন্যদিকে হিন্দুদের মূল ধর্মগ্রন্থ বেদ বলেছে,
হে স্ত্রী শ্বশুরের নিকট সম্রাজ্ঞী হও, শ্বাশুড়ির নিকট সম্রাজ্ঞী হও, নানদের নিকট সম্রাজ্ঞী হও এবং দেবরের নিকট সম্রাজ্ঞীর অধিকার প্রাপ্ত হও।" [ঋগ্বেদ ১০/৮৫/৪৬]
পতি ও পত্নী মৃত্যু পর্যন্ত একসাথে থাকবেন। তারা অন্য কোন জীবনসঙ্গীগ।রহন করবেন না বা ব্যভিচার করবেন না। এই হলো নারী পুরুষের পরম ধর্ম।" [মনুসংহিতা ৯/১০ ১]
"স্ত্রীলোককে রক্ষণরূপ ধর্ম সকল বর্ণের পক্ষে্য শ্রেষ্ঠ কর্তব্য। তাই অন্ধ, পঙ্গু ও দূর্বল স্বামীরাও নিজ নিজ স্ত্রী-কন্যাকে যত্নপূর্বক রক্ষা করবেন।" [মনু ৯/৬]
"যে গৃহে নারী সুখী নয়, সে গৃহে দেবতা প্রবেশ করে না।" [মনুসংহিতা ]
নারীকে ঘরে আটকে রাখা মানেই নিরাপত্তা নয়। বরং তাকে বাস্তব সমাজ, নিজধর্ম, সংস্কৃতি, ভাল-মন্দ ও আত্মরক্ষা বিষয়ে সঠিক শিক্ষা দিতে হবে, যাতে বাহিরেও তারা সুরক্ষিত রাখতে পারে, আর কু-সংঙ্গ যেন তাদের বিভ্রান্ত করতে না পারে।" [মনুসংহিতা ৯/১২]
এরকম উন্নত ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে স্বাভাবিকভাবেই হিন্দু সমাজে মানবিক মূল্যবোধ অত্যন্ত উন্নত। এখানে নারী নির্যাতন নেই বল্লেই চলে।
স্বামী নিগৃহীতা কোন নারীকে তাই রাস্তায় দেখা যায় না।জেলখানায় কয়েদিদের মধ্যে হিন্দু দেখবেন খুবই কম।
সারাদেশে মুসলিম এতিমখানা ও এতিম শিশুর সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণ কিন্তু হিন্দু অনাত শিশু নেই বল্লেই চলে।
হিন্দুরা কখনও দেশদ্রোহী ও জঙ্গি হয় না। হিন্দু ছাত্র-ছাত্রীরা তুলনামূলকভাবে বেশি মেধাবী।
হিন্দু ধর্মে নারীরা যতটা স্বাধীনতা ও মর্যাধা পায় তা বিশ্বের আর কোন ধর্ম ও সমাজে পায় না।
হিন্দু নারী-পুরুষ একসাথে পূজা করতে পারে। স্ত্রী ছাড়া স্বামীর কোন পূজা-যঙ্গ সম্পন্ন হতে পারে না।
তাই স্ত্রীকে সহধর্মিণী ও অর্ধাঙ্গিনী বলা হয়।
মুসলিম স্ত্রীদের এটা বলা যায় না। কারণ তারা একসাথে নামাজ পড়তে পারে না।
মন্দিরে নারি দেবী পূজিত হন। মসজিদ-ঈদগাহে নারী প্রবেশই নিষেধ।
হিন্দু নারীরা পৌরহিত্য করতে পারেন, কীর্তনে নেতৃত্ব দিতে পারেন, মুসলিম নারী কখনো ইমাম হতে পারে না, আজান দিতে পারে না।
নারী নেতৃত্ব হিন্দুধর্মে ও সমাজে স্বীকৃত। ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম।
বিশ্বের প্রাচীনতম ও হিন্দুদের মূল ধর্মগ্রন্থ পবিত্র বেদ রচয়িতা ঋষিদের মধ্যে ২৭ জন বিদুষী নারী ঋষি ছিলেন। বিশ্বের অন্য কোন ধর্মগ্রন্থ রচনাতে নারীর কোন অবধান স্বীকার করাই হয়নি।
হিন্দু বিবাহ বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিবাহ। এটা একটা ব্রত, অবিচ্ছেদ্য, আজীবন সুখে-দুঃখে একসাথে থাকার সংকল্প।
কিন্তু মুসলিম বিয়ে/নিকা অর্থের(দেনমোহর) বিনিময়ে সহবাস করার চুক্তি/কন্ট্রাক্ট, যা যেকোন সময় বাতিল/তালাক করা যায়।
ফলে পুরুষের স্বেচ্ছাচারিতায় মুসলিম বধূর নিরাপত্তা সর্বদাই ভঙ্গুর ও অনিশ্চিত।..
হিন্দু কন্যাদের বলছি,
যদি কোন মুসলিম ছেলে তোমার প্রেমে খুভ পাগল হয়, তবে তাকে পরীক্ষা দিতে বলো, যে ৬ মাস ১৬ মালা হরেকৃষ্ণ মন্ত্র জপ করুক। তারপর সে হিন্দুধর্ম গ্রহন করলে তবেই তুমি তাকে তুমি বিয়ে করবে।
তোমার মা-বাবাকেও তুমি রাজি করাবে বলে জানাও।
দেখবে, তার অনন্ত প্রেম হাওয়ায় মিঠের মত চুপসে গেছে। তার ভণ্ডামি ধরা পরে যাবে।
অঢচ তাকে ভালবাসে বিয়ে করতে হলে তোমাকে মা-বাবা, পরিবার, স্বজন, ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি সবকিছু ত্যাগ করে আজীবন দাসী হয়ে থাকতে হবে।
ভাবো..
সিদ্ধান্ত তোমার.........
Comments
Post a Comment