Skip to main content

Posts

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ক্রমান্বয়ে আদর্শ মাদ্রাসায় রূপান্তরিত হচ্ছে

 পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালযগুতে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করা হয়।  গবেষণার ভিত্তি হলো মূলত মুক্তচিন্তা। ধর্ম, বর্ণ , দলীয় রাজনীতি, বিভিন্ন সম্প্রদায় ইত্যাদির প্রভাবমুক্ত হয়ে ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে অজানাকে জানার অদম্য আগ্রহই হল প্রকৃত সত্য উদঘাটনের একমাত্র পথ। যদি কখনো অজানাকে জানার অদম্য আগ্রহ তার নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলে তবে তার পক্ষে আর নতুন নতুন সৃষ্টি তথা নতুন কিছু উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় না। মানুষের চিন্তাভাবনার এই নিরপেক্ষতাকে ধ্বংস করার প্রদান হাতিয়ার হল ধর্ম ।  যেমন ইসলাম ধর্মে বলা হয় এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সমস্ত কিছু আল্লাহর হুকুমে  সংঘটিত হচ্ছে । আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নাই হযরত মুহাম্মদ তার প্রেরিত বার্তাবাহক। এই কালেমা পড়ে ইসলামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর হুকুমের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার সাথে সাথেই অজানাকে জানার প্রয়োজন  ফুরিয়ে যায় । কারণ কোন কার্য কেন এবং কিভাবে সংগঠিত হচ্ছে এই রূপ চিন্তা ভাবনা যাদের মধ্যে জাগ্রত হয় ইসলামের দৃষ্টিতে তাকে শয়তানের আছর বলা হয় ।  হুজুররা তাই এই ধরনের মাদ্রাসার ছাত্রদ...

ধার্মিক ধন্যাট্য ব্যক্তিরা হল প্রকৃত স্বার্থপর

বড় ভাই ছোট ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে বলল, দোয়া করিস আমি হজ্জ্বে যাচ্ছি ।  এই সময় ভাতিজা বলল , চাচা আব্বার ক্যান্সার । আমাদের কাছে টাকা পয়সা নাই। আপনি এক বছর পূর্বে আব্বার কাছ থেকে ঋণ হিসাবে আড়াই লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন । যদি এখন সেই টাকাটা ফেরত দিতেন তাহলে খুবই উপকার হতো। তাহলে আব্বা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না ।  এই কথা শুনে বড় ভাই টাকা ফেরত দেবার কথা উল্লেখ না করে বলল , চিন্তা করো না, আল্লাহর উপর ভরসা রাখ ।  এক ব্যক্তি তার আত্মীয়ের বাড়িতে ২০ বছর যাবত ভাড়া থাকত। করোনা পরিস্থিতি ও ব্যাবসায় মন্দার কারণে মোট 2 লক্ষ টাকা ভাড়া বকেয়া হয়ে যায় । কোন রকমে ঋণ করে ১৫০০০০ টাকা জোগাড় করে আত্মীয় বাড়ি ওয়ালাকে প্রদান করে  । তারপর বলল আপনি তো বাড়ি ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। আমি বাড়ি ছেড়ে দিচ্ছি । যেহেতু 20 বছর যাবৎ আপনার বাড়িতে রয়েছি । তাই বাকি 50 হাজার টাকা আমাকে মাফ করে দিলে আমার খুবই উপকার হবে। এই কথা শুনে সে তৎক্ষণাৎ বলে উঠল- এটা কোন ভাবেই সম্ভব নয় ।  অথচ এই লোকটি তাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটি মাদ্রাসা দেখানো এবং বলল, দুনিয়াতে টাকা-পয়সা ধন-দৌলত সঙ্গে যাবেনা । মরে গ...

ব্যাকরনগত ভুল প্রমান করে কোরআন আল্লাহর বানী নয়

 আল্লাহর বাণীর সত্যতা নিরূপণের লক্ষ্যে কোরআনের একটি আয়াত এখানে উল্লেখ করা হল।  শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি।  আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়।        সুরা বাকারাহ - ২৫৫ যদি আল্লাহ জিবরাঈল ফেরেশতা মারফত এই আয়াত নবীর নিকট প্রেরন করতেন তাহলে সেটি হতো নিন্মরুপ। আমি পরম করুণাময় । তোমরা আমার নামে শুরু কর এবং শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা কর ।  আমি ছাড়া তোমাদের কোন উপাস্য নাই । আমি চিরঞ্জীব এবং সমস্ত কিছুর রক্ষণাবেক্ষণকারী । আমাকে তন্দ্রা এবং নিদ্রা স্পর্শ করে না ।  আকাশমণ্ডল ও্ ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুই আমার । আমি লোকদের প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশিত অবস্থা সম্পর্কে জানি। মানুষ আমার জ্ঞানের কোন কিছু আয়ত্ব করতে সক্ষম নয় । এখানে মাত্র একটি আয়াতের মাধ্যমে কোরআনের ব্...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

রোহিঙ্গা সমস্যার মূলে রয়েছে ধর্মান্ধতা

 আব্বার কাছে শুনেছি, ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত এদেশ থেকে অনেক লোক জীবিকার তাগিদে আসাম ও বার্মায় যেত । প্রাকৃতিকভাবে সম্পদশালী হওয়ায় এইভাবে প্রচুর লোক সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে।  মিয়ানমার চায় রোহিঙ্গাদের বিনিময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা মিয়ানমার চলে আসুক। জনসংখ্যা অনুপাতে মিয়ানমারে মাথাপিছু উর্বর জমির পরিমাণ বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি । শোনা যাচ্ছে আসাম থেকে মুসলমানদেরকে বিতারণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৮০০ পরিবারকে বাড়ি ঘর থেকে উচ্ছেদ করা হইয়াছে। পৃথিবীতে আরও বিভিন্ন ধরনের লোক হয়েছে কিন্তু মুসলমানদের প্রতি অন্য ধর্মের লোকদের এই রূপ ও আচরণের কারণ কি ? মুফতি ইব্রাহীম ১১টি সন্তান জন্ম দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ধর্মান্ধ হুজুরেরা চায় মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি হোক । যাতে করে তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সেখানে প্রভাব বিস্তার করতে পারে । মিজানুর রহমান বলেছেন, অচিরেই ইমাম মাহদী আসছেন। সুতরাং যুদ্ধ করতে অনেক সৈনিকের প্রয়োজন । মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে । উন্নত মানুষের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো শিক্...

বিশ্বাসের ভাইরাস

 পরিচিত এক ধর্মান্ধ ব্যক্তিকে ধর্মীয় ব্যাপারে তার কয়েকটি প্রশ্নের যথাযথ জবাব দেওয়ার পর সে সেগুলো মানতে বাধ্য হয়েছিল । কিন্তু দু'একদিন পর লক্ষ্য করলাম তার কোন পরিবর্তন হয় নাই এবং সে পূর্ববর্তী অবস্থায়ই ফিরে এসেছে ।  যে মস্তিষ্ককে ইমান বা বিশ্বাস দ্বারা ঢেকে ফেলা হয়েছে সেইরূপ দুর্বল মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা কমে যায় বিধায় সেখানে নতুন কিছু সহজেই প্রবেশ করতে পারেনা এবং তবে কোন ক্রমে প্রবেশ করলেও তা ধারণ করতে পারে না বিদায় দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে না ।  আমার আব্বা একটি গল্প বলেছিলেন ।  পূর্বে বাংলাদেশ কলেরা,বসন্ত ও টাইফয়েডের ব্যাপক প্রকোপ ছিল । গ্রামে এই সমস্ত রোগের আক্রমণে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটত।এই সময়ে মসজিদের হুজুররা গ্রামবাসীদের বলতো, গ্রামে ওভা ঢুকেছে। হুজুররা বলতো রোগবালাই আল্লাহর নাফরমানি থেকেই সৃষ্টি হয় । তাই একে দূর করতে হলে আল্লাহ নাম নিয়ে জিকির করতে হবে । তখন গ্রাম থেকে ওবা বিতারনের লক্ষ্যে রাত্রে গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে দলবদ্ধভাবে গ্রামের এক প্রান্ত থেকে উচ্চস্বরে জিকির করতে করতে অন্য প্রান্তে যাওয়া হত । কিন্তু সারা রাতের এত পরিশ্রমের পরেও সকালে খব...

হিজাবের অপকারিতা ও উৎপত্তির কারণ

যাহা কিছুর প্রচলন ঘটেছে তাহা প্রয়োজনের তাগিদেই ঘটেছে । নবীর জমানায় বাড়ির সাথে কোন টয়লেট  ছিল না । তাই মানুষ খোলা স্থানে অথবা ঝোপঝাড়ের আড়ালে এই কাজটি সম্পন্ন করত । পুরুষেরা যেকোনো সময়ই তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারতো কিন্তু নানাবিধ সমস্যার কারণে স্ত্রী লোকেরা সাধারণত রাত্রে এই সমস্ত কাজ সমাধা করত । তৎকালীন সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় এবং রাস্তাঘাট আলোকিত করনের ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর সমস্তকিছুই অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতো । জ্বালানি তৈল সহজলভ্য না হওয়ার কারণে কেবলমাত্র ঘরের ভিতরেই সীমিত সময়ের জন্য কিছুটা আলোর ব্যবস্থা করা হইত । তাই স্ত্রীলোকদের জন্য প্রস্রাব পায়খানা করার উপযুক্ত পরিবেশ হল রাত্রের অন্ধকার । চাঁদের আলো ছিল রাস্তাঘাট সীমিত পরিমাণে আলোকিত করনের একমাত্র উৎস ।   সাধারণত; কয়েকটি নিম্নোক্ত সমস্যার কারণে হিজাবের প্রচলন শুরু হয়,  ১ - অবাধ প্রেম লীলা  প্রানের বন্ধু আসিও তুমি খেজুর গাছের তলে, তোমার সনে মিলব আমি ঝোপঝাড়ের আড়ালে ।  বন্ধুর সনে মিলনের সময় কখন আসিবে ? যখন পায়খানা প্রসাব লাগিবে । তৎকালীন সময়ে পরিবার পরিকল্পনা ছিল না এবং চিকিৎসা ব্য...