Skip to main content

হিজাবের অপকারিতা ও উৎপত্তির কারণ

যাহা কিছুর প্রচলন ঘটেছে তাহা প্রয়োজনের তাগিদেই ঘটেছে । নবীর জমানায় বাড়ির সাথে কোন টয়লেট  ছিল না । তাই মানুষ খোলা স্থানে অথবা ঝোপঝাড়ের আড়ালে এই কাজটি সম্পন্ন করত । পুরুষেরা যেকোনো সময়ই তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারতো কিন্তু নানাবিধ সমস্যার কারণে স্ত্রী লোকেরা সাধারণত রাত্রে এই সমস্ত কাজ সমাধা করত । তৎকালীন সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় এবং রাস্তাঘাট আলোকিত করনের ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর সমস্তকিছুই অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতো । জ্বালানি তৈল সহজলভ্য না হওয়ার কারণে কেবলমাত্র ঘরের ভিতরেই সীমিত সময়ের জন্য কিছুটা আলোর ব্যবস্থা করা হইত । তাই স্ত্রীলোকদের জন্য প্রস্রাব পায়খানা করার উপযুক্ত পরিবেশ হল রাত্রের অন্ধকার । চাঁদের আলো ছিল রাস্তাঘাট সীমিত পরিমাণে আলোকিত করনের একমাত্র উৎস । 

 সাধারণত; কয়েকটি নিম্নোক্ত সমস্যার কারণে হিজাবের প্রচলন শুরু হয়, 

১ - অবাধ প্রেম লীলা 

প্রানের বন্ধু আসিও তুমি খেজুর গাছের তলে, তোমার সনে মিলব আমি ঝোপঝাড়ের আড়ালে । 

বন্ধুর সনে মিলনের সময় কখন আসিবে ?

যখন পায়খানা প্রসাব লাগিবে ।

তৎকালীন সময়ে পরিবার পরিকল্পনা ছিল না এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাও উন্নত ছিল না । সুতরাং বাচ্চা পয়দা করল মহিলার প্রেমিকে অথচ বাচ্চা আব্বু আব্বু করে ডাকে মহিলার স্বামীকে ।

মূলত জারজ সন্তান কথাটি অনেক পুরানো । এই কারণে তৎকালীন সময়ে নারী-পুরুষের মধ্যে অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক বর্তমান সময়ের তুলনায় অনেক বেশি হইত । কারণ বর্তমান সময়ের মতো চিত্ত বিনোদনের নানাবিধ সুযোগ ছিল না বরং বিনোদনের ছাত্র ছিল খুবই সীমিত । তাই যৌন সঙ্গমই ছিল সম্ভবত বিনোদনের একমাত্র উপাদান । 

২- অবাধ যৌনাচার

কিছু দুষ্কৃতিকারী বিভিন্ন নির্জন স্থানে উৎ পেতে থাকতো । তাদের দ্বারা সব সময় স্ত্রীলোকেরা নির্যাতিত হইতেন । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দাসি ও নিম্ন শ্রেণীর স্ত্রীলোকেরা নির্যাতিত হইত কারণ ধনী ও উচ্চশ্রেণীর মহিলাদের এরা ভয় পাইত । 

৩-  উচ্চ পদস্থ নারীদের পোশাক:

তৎকালীন সময়ে উচ্চপদস্থ ধন্যট্য ,সম্ভ্রান্ত নর-নারীরা দেখতে কিছুটা হিজাবের ন্যায় এক ধরনের পোশাক পরিধান করত । দুস্কৃতিকারীরা সাধারণত এই ধরনের পোশাক পরিহিতা নারীদেরকে ভয় পেত । সুতরাং সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে এরকম একটি পোশাক প্রচলন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল । 

৪-পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা

সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তাদের পরিবারের স্ত্রীসদস্য বৃন্দকে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন ।  যেমন নবীর স্ত্রীদের পাহারা দেবার দায়িত্ব ন্যাস্তু ছিল হযরত ওমর এর উপর ।  পর্দা প্রথা চালুর পূর্বে নবীর স্ত্রী সাওদা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার পর ফিরে আসার পথে ওমর  তাকে ডাক দেন।  তিনি সাওদাকে বলেন, আপনার আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। আমি আপনাকে চিনতে পেরেছি ।  ওমর নবীকে তার স্ত্রীদের পর্দা করার ব্যাপারে চাপ দিতে থাকেন ।

         সহি বুখারী (ইং:ফা:)-১৪৮

৫ - খলিফা ওমরের আটটি স্ত্রী এবং প্রায়  ৯ টি  দাসি ছিল । সাধারণত ওমর তার স্ত্রীদের সাথে যৌন কাজ করত ঘরের ভিতরে এবং দাসীদের সাথে করত  ঘরের বাহিরে । একদিন রাত্রে দাসীদের সাথে কর্মরত অবস্থায় বাড়ির পাশ দিয়ে এক মহিলা যাইতে ছিল। অন্ধকারে ভুলবশত দাসি মনে করে উক্ত মহিলার সাথে তিনি যৌন কার্য করেন । পরবর্তীতে উক্ত মহিলা নবীর কাছে নালিশ করলে  এই ভুলের যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই জন্য কেবলমাত্র রাত্রে রাস্তায় চলাচলরত মহিলাদের হিজাব পরিধান করা বাধ্যতামূলক করেন।

 ৬ - নবী, খলিফা এবং ধন্যাট্য ব্যক্তিবর্গের স্ত্রী সংখ্যা ছিল অনেক বেশি । এই স্ত্রীরা যাতে অপর পুরুষের নিকটে আকৃষ্ট হতে না পারে এবং অপর পুরুষেরা যাতে তাদেরকে চিনতে না পারে, সেই কারণে তাদের শরীর ঢেকে রাখার প্রয়োজন পড়তো ।

৭ - মরুভূমির মধ্যে সাধারণ পোশাকে চলাচল করলে ধুলোবালিতে সমস্ত শরীর ময়লা হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে । তাই ধুলোবালির হাত থেকে রক্ষা এবং আরবের প্রখর তাপ ও সূর্য কিরন থেকে রক্ষা পাবার জন্য সমগ্র শরীর ঢেকে রাখার প্রয়োজন হইত । 

 এই সমস্ত জটিল সমস্যা সমূহ নিরসন কল্পে, মহিলাদের অবৈধ সম্পর্ক বন্ধ করতে,দুষ্কৃতিকারীদের নির্যাতন থেকে রক্ষা করতে এবং প্রাকৃতিক কারণে এই পোশাকটিকে নির্বাচন করা হয় ।,

            বোরখার অপকারিতা

আধুনিক বিজ্ঞানের মতে দেহের চামড়া হইল  স্বাস্থ্য রক্ষার প্রথম ডিফেন্স বা দূর্গের প্রাচীর । তাই চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে । চামড়ার সু-স্বাস্থ্যের জন্য প্রাকৃতি থেকে বিনা খরচে প্রধান দুটি উপাদান পাওয়া যায় ।

 প্রথমত :  ১- বোরখা পরিধানের ফলে শরীরের মধ্যে বিশুদ্ধ বাতাস প্রবেশ করতে এবং ভিতরের গরম  বাতাস বাহির হইতে পারে না । ফলে অতিরিক্ত গরম অতিরিক্ত ঘামের সৃষ্টি করে । তাই শারীরিক দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়।

২- obesity -অতিরিক্ত গরম চামড়ার স্বাভাবিক দৃঢ়তা নষ্ট করে তাকে নরম করে ফেলে । ফলে চামড়া শক্তি কমে যায় । তাই মহিলাদের মধ্যে  obesity রোগ তথা মোটা হয়ে যাবার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় । 

৩ - ঘাম হল শরীরের দুষিত পদার্থ যাহা সাথে সাথে পরিষ্কার করতে হয়। ঘাম  দীর্ঘক্ষন শরীরে লেগে থাকলে তাহা চামড়ার ক্ষতি করে ।

৪-দেহের পশমগুলো বিশুদ্ধ বাতাসের সংস্পর্শে এসে দেহের কোষ গুলোকে দেহের নির্ধারিত নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে রাখতে সহায়তা করে । যাহা সুস্বাস্থের জন্য অতি প্রয়োজনীয় । তাই বিশুদ্ধ বাতাস আমাদের ভাল লাগে । বোরখা পরিধানের কারণে একজন মহিলার দেহের মধ্যে বিশুদ্ধ বাতাস চলাচল করতে পারে না বিধায় সেখানে নোংরা ,দুর্গন্ধময় ও অসাস্থকর এক পরিবেশের সৃষ্টি হয় । ফলে পশমগুলো পরিচ্ছন্ন ও শীতল বাতাসের অভাবের কারণে তার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারে না । 

৫ - সূর্যের আলো আমাদের দেহের জন্য একটি অত্যন্ত কল্যাণকর উপাদান । 

সূর্যের আলো ভাইরাস হত্যা,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি,জন্ডিসসহ কিছু কিছু রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ।

সূর্যের আলোক রষ্ণী দেহের ভিতরে চলে যায় এবং রক্তের সাথে ক্রিয়া করে রক্ত পরিশোধন করে । 

সূর্যের আলো হাড়কে মজবুত করে ও হাড়ের ক্ষয় রোধ করে ।

সূর্যের আলো ভিটামিন-ডি উৎপাদন করে ।পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের ভিটামিন ডি এর প্রয়োজন বেশি হয় অথচ তাদের মধ্যেই  মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাব বেশি লক্ষ্য করা যায় ।

দ্বিতীয়তঃ  বর্তমান সময়ে বোরখা সামাজিকভাবেও কিছু ক্ষতির কারণ রূপে চিন্হিত হয়েছে । বোরখা বর্তমানে আফগানিস্তান পাকিস্তান ,মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠনের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে । চুরি ডাকাতি ছিনতাই, অস্ত্রের চোরাচালান, মাদক ব্যবসা ,প্রকাশ্যে অপরাধীদের ঘুরে বেড়ানো, আত্মঘাতী হামলা চালানো এবং নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাওয়া ইত্যাদি নানাবিধ কাজে বর্তমানে বোরখা ব্যবহৃত হচ্ছে । এই সমস্ত অপরাধ প্রতিহত করতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।

হিজাবের অপকারিতা ও উৎপত্তির কারণ
দ্বিতীয়ত:  সচ্ছন্দে চলাফেরা , কাজকর্ম করা শিল্পকলা, খেলাদুলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ইহা সমস্যা সৃষ্টি করছে ।

তৃতীয়তঃ  বিভিন্ন পার্কে বোরকা পরিহিত মেয়েদেরকে ছেলেদের সাথে প্রেম করতে দেখা যায় । বোরখা পড়ে চেহারা লুকিয়ে যেকোনো বাড়িতে প্রবেশ করা যায় ‌। তাই ঢাকা শহর এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে  জমজমাট প


তিতাবৃত্তিতে বোরখার ব্যাবহার হচ্ছে। আফগান নারীদের উপর পর্যবেক্ষণ করে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে  ৯০% ক্ষেত্রেই হিজাব পরিহিত পরাধীন আফগান মহিলা নানাবিধ মানসিক চাপ ও ডিপ্রেশনে ভুগে থাকে যাহা পশ্চাতদেশ গুলো লক্ষ্য করা যায় না । 

তৎকালীন আরব দেশের ন্যায় আমাদের বর্তমান বাংলাদেশে হিজাব প্রচলনের কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না । পৃথিবীতে সমস্ত কিছুরই প্রচলন স্থান-কাল-পাত্র ভেদে হয়ে থাকে । মেয়েদের হাত এবং মুখ দেখা বন্ধ করার জন্য হিজাবের প্রচলন ঘটে নাই । মেয়েদের হাত, মুখ দেখলে যাদের কামভাব জাগ্রত হয় , তাদের মস্তিষ্কের চিকিৎসা প্রয়োজন । নারী সমাজকে কেন বস্তাবন্দি হয়ে তার খেসারত দিতে হবে ?

মধ্যপ্রাচ্যের আবহাওয়া , সামাজিক পরিবেশ ও বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ এক নয় । তাই বাংলাদেশের নারীদের জন্য পূর্ব থেকে প্রচলিত উত্তম পোষাক হল শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজ ।

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের আইনে কি সবার জন্য সমান অধিকার প্রয়োগের অধিকার প্রধান করে.?

 সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে কিছু দিন আগে। এতে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুব সুন্দর , একজন অপরাধীর পরিচয়  সে একজন অপরাধী।  সে কোন ধর্মের অনুসারী, কোন দলের অনুসারী, তার জনমত কেমন, তা দেখে কি অপরাধীর অপরাধ বিচার করা হয়.?? প্রতিদিন ধর্ম তুলে প্রদীপের উপর যে নোংরা বুলি আওড়ানো হয় সেটা কখনোই আইনের শাসন হতে পারে না.! বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য যে বেআইনি কাজকর্ম করে তার অধিকাংশই কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের অনুসারী এখন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? ওসি প্রদীপ যদি সত্যিই অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমরা সবাই তার সঠিক সাজার দাবি জানাই কিন্তু তার আগে আমার কিছু কথা বলার আছে- ১.দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার কি আমরা পেয়েছি? তার খুনের ঘটনায় জড়িত সবাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেলের বাইরে। ২।চার বছরের ছোট শিশু পুজার ধর্ষণের মামলা কেন জুলে আছে?       ৩৮বছরের সাইফুল ইসলাম ছোট বাচ্চাটার যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে দিয়েছিল, সেই ঘটনার কোন বিচার হয়নি কেন? ৪।২০১৫ ...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????