আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।
যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!
সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..!
যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি..
ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.????
তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.????
আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????
Comments
Post a Comment