Skip to main content

হিন্দু VS মুসলিম

ইসলাম

হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে দুটি কথা বলি। ইসলাম ধর্মের সঙ্গে

তুলনায় হিন্দু ধর্ম কে অনেকে উদার ধর্ম হিসাবে অভিহিত

করে থাকে। আমি মনে করি- এই অভিমত একেবারেই

সত্যের নিকটস্থ নয়। হিন্দু ধর্ম এমন একটি ধর্মমত যার

দ্বারা তাদের নিজেদের ধর্মের লোক যারপরনাই পীড়িত

ও শোষিত, নির্যাতিত। 

 আপনি আজও পশ্চিম বঙ্গের গ্রামাঞ্চলে গেলে দেখতে

পাবেন, বাওন অর্থাৎ ব্রাম্মন পাড়া, কায়েত পাড়া, মন্ডল

 পাড়া, চাঁড়াল পাড়া বা নমঃ পাড়া। এরা নিজেরাই

 নিজেদের ঘৃনা করে। এখন ও এটি সত্য। মোগল- সরাই

 স্টেশনের নাম, দীনদয়াল উপধ্যায় স্টেশন যে বা যারা

 করেন, তাদের মহা গুরুরাই এই বিভেদ কামি সমাজের

 প্রবক্তা। আর হিন্দুদের এই মহান নির্মম বিভেদ নীতির

 কারণে চন্ডাল সমাজের মান্যবর নেতা জনাব যোগেন

 মন্ডল ভারতের সাথে না গিয়ে তিনি পাকিস্তানের সাথেই

 থেকে যান, এবং পাকিস্তানের মন্ত্রী-মন্ডলে আইন মন্ত্রীর

 স্থান পান। তার এই সিদ্ধান্ত, আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত প্রমাণ

 হয় কারণ ইসলামী পাকিস্তান শেষপর্যন্ত এই অস্পৃশ্য

 হিন্দু কে হিন্দু বলেই মনে করেছিল। নিজেদের একজন

 বলে ভাবতে পারেননি কারণ কোরানের মতে সে ছিল

 কাফের। 

 আজ হিন্দুত্ববাদী দের আক্রমণের মুখে ভারতের মুসলিম

 গণ এই দলিত বা অস্পৃশ্য হিন্দু দের পাশে পেতে চাইছেন। একেই বলে ইতিহাসের পরিহাস। 

 তবে হিন্দু ধর্মের সাথে ইসলামের মৌলিক পার্থক্য, 

 ইসলাম অপরিবর্তনীয়, অসংশোধন যোগ্য, একেবারে

 কেয়ামত অবধি। কিন্তু হিন্দু ধর্ম পরিবর্তনীয়,সংশোধন

 যোগ্য। ইসলাম ত্যাগ করলে তাকে হত্যার বিধান ধর্ম

 সম্মত, কিন্তু হিন্দু ধর্ম ত্যাগীকে হত্যার কোন ধর্ম সম্মত

 বিধান নেই। 

  সর্বশেষ সুবিবেচনায়, হিন্দু ধর্মের বিকল্প ইসলাম নয়, 

 আবার ইসলামের বিকল্প হিন্দু ধর্ম নয়। সব ধর্মের

 বিকল্প এক এবং একমাত্র মানবধর্ম।

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের আইনে কি সবার জন্য সমান অধিকার প্রয়োগের অধিকার প্রধান করে.?

 সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে কিছু দিন আগে। এতে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুব সুন্দর , একজন অপরাধীর পরিচয়  সে একজন অপরাধী।  সে কোন ধর্মের অনুসারী, কোন দলের অনুসারী, তার জনমত কেমন, তা দেখে কি অপরাধীর অপরাধ বিচার করা হয়.?? প্রতিদিন ধর্ম তুলে প্রদীপের উপর যে নোংরা বুলি আওড়ানো হয় সেটা কখনোই আইনের শাসন হতে পারে না.! বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য যে বেআইনি কাজকর্ম করে তার অধিকাংশই কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের অনুসারী এখন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? ওসি প্রদীপ যদি সত্যিই অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমরা সবাই তার সঠিক সাজার দাবি জানাই কিন্তু তার আগে আমার কিছু কথা বলার আছে- ১.দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার কি আমরা পেয়েছি? তার খুনের ঘটনায় জড়িত সবাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেলের বাইরে। ২।চার বছরের ছোট শিশু পুজার ধর্ষণের মামলা কেন জুলে আছে?       ৩৮বছরের সাইফুল ইসলাম ছোট বাচ্চাটার যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে দিয়েছিল, সেই ঘটনার কোন বিচার হয়নি কেন? ৪।২০১৫ ...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????