Skip to main content

আল্লাহ হলেন ক্রিমিনালদের গডফাদার

পার্কে হাঁটতে হাঁটতে জিজ্ঞাসা করলাম , 
আপনার ছোট দুই ভাই কি করে ? সে বলল , মাশাল্লাহ তারা দুজনেই হজ্ব করেছেন । তাহলে আপনি করলেন না কেন ?
দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন সহসাই প্রকাশ পেয়ে গেল। বলল, শাহাদাৎ ভাই আমি যে ব্যাবসা করি সেখানে অনেক মিথ্যা কথা বলতে হয়। তাই নিয়ত করেছি ব্যাবসা যখন ছেড়ে দিব তখন তওবা করব ও হজ্জ করে আল্লাহর রাস্তায় চলে আসব ।
একই স্বপ্ন লালন করে রাখে বিদায় এদেশের চরিত্রহীন নায়ক নায়িকারা যৌবন ফুরিয়ে গেলে ও চাহিদা কমে গেলে হজ্জ করে ও হিজাব পরিধান করে পুরোদস্তর মুসল্লী বনে যায়।

তাছাড়া ঘুষখোর, বাটপার, ধর্ষক, টেন্ডারবাজ, ভূমিদস্যু, কালোবাজারি..... ইত্যাদি দুর্নীতিবাজরা সারা জীবন অগাধ সম্পদ কুক্ষিগত করে শেষ বয়সে হজ্জ করে । টুপি, ও সুন্নতি পোশাক পরিধান করে হাতে একটি তসবি নিয়ে ইমাম সাহেবের পিছনে নামাজে দাঁড়ায়। মহল্লার মাদবর বনে যায় ।
এই সকল দুর্নীতিবাজেরা ভালো করেই জানে যত খারাপ কাজই করা হোক না কেন তওবা করে আল্লাহর কাছে মাফ চাইলে তিনি মাফ করে দিবেন ।
এরা ইহ কালের সুখ এবং পরকালে বেহেশতের মালিক হয়ে যায়। কিন্তু ঐ সৎ, মানবতাবাদি ও যুক্তিবাদী ইহকাল এবং পরকাল উভয় কালই হারায়।
পৃথিবীতে যত প্রকার অন্যায় অবিচার করা হয় তার ৯০% মানুষের সাথেই করা হয় । সুতরাং মাফ চাইতে হবে মানুষের কাছে এবং সেই সাথে অপকর্মের মাধ্যমে তাদের যে ক্ষতি করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে । এটি হলো প্রকৃত ন্যায় বিচার।

কিন্তু ইসলামে সারা জীবনের অন্যায় অবিচারকে বৈধতা দেওয়ার জন্যই আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়ার এই বিধান চালু করা হয়েছে। তিনি মাফ করে দিলে সমস্ত অন্যায় অবিচার থেকে মুক্ত হওয়া যাবে।
সুতরাং তওবা করে আল্লাহর কাছে দায়মুক্তির সার্টিফিকেট পাওয়ার মাধ্যমে অন্যায়কে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটি হলো শোষক দুর্নীতিবাজ পুঁজিপতি শ্রেণীর লুটপাটের একটি কৌশলমাত্র । যাহা ধর্মান্ধ বেকুবরা বুঝতে পারছে না ।

অনেকেই প্রশ্ন করে মুসলমানরা এত নীতির কথা বলার পরেও পৃথিবীতে মুসলিম দেশগুলোতে দুর্নীতির পরিমাণ বেশি কেন ? পক্ষান্তরে যে সকল দেশে নাস্তিকের সংখ্যা বেশি সেখানে দুর্নীতি কম কেন ?
কারণ মুসলমানদের রয়েছে আল্লাহ নামক একজন দুর্নীতিবাজ গডফাদার । যিনি সুকৌশলে সমস্ত দুর্নীতিকে লালন পালন করছেন ও তার কাছে তওবা করার মাধ্যমে বৈধতা দিচ্ছেন। কিন্তু নাস্তিকদের এই রকম দুর্নীতিবাজ আল্লাহ নাই ।
তাই মানুষের অন্তর থেকে এই ক্রিমিনাল গডফাদার আল্লাহকে উৎখাত করতে না পারলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব হবে না ।

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের আইনে কি সবার জন্য সমান অধিকার প্রয়োগের অধিকার প্রধান করে.?

 সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে কিছু দিন আগে। এতে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুব সুন্দর , একজন অপরাধীর পরিচয়  সে একজন অপরাধী।  সে কোন ধর্মের অনুসারী, কোন দলের অনুসারী, তার জনমত কেমন, তা দেখে কি অপরাধীর অপরাধ বিচার করা হয়.?? প্রতিদিন ধর্ম তুলে প্রদীপের উপর যে নোংরা বুলি আওড়ানো হয় সেটা কখনোই আইনের শাসন হতে পারে না.! বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য যে বেআইনি কাজকর্ম করে তার অধিকাংশই কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের অনুসারী এখন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? ওসি প্রদীপ যদি সত্যিই অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমরা সবাই তার সঠিক সাজার দাবি জানাই কিন্তু তার আগে আমার কিছু কথা বলার আছে- ১.দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার কি আমরা পেয়েছি? তার খুনের ঘটনায় জড়িত সবাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেলের বাইরে। ২।চার বছরের ছোট শিশু পুজার ধর্ষণের মামলা কেন জুলে আছে?       ৩৮বছরের সাইফুল ইসলাম ছোট বাচ্চাটার যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে দিয়েছিল, সেই ঘটনার কোন বিচার হয়নি কেন? ৪।২০১৫ ...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????