Skip to main content

ইসলাম ধর্ম কি বিধর্মীদের থেকে যুক্তিসম্পন্ন ধর্ম.??

ইসলাম ধর্ম কি বিধর্মীদের থেকে যুক্তিসম্পন্ন ধর্ম.??
মুমিনদের জন্য মজার একট গল্প। পড়তে কেউ মিস করবেন না। শুরুতে একটা গল্প বলি। কোনো এক গ্রামে এক হুজুর ছিল। রোজ সকালে ফজরের নামাজ পড়তে যাবার সময় দেখে রাস্তার পাশের মন্দিরে একজন পন্ডিত পূজা করছে। নামাজ শেষ করে ফিরে আসার সময় পন্ডিত কে ডেকে বললো। ওই যে মশাই আপনি এই মূর্তি পূজা কেনো করেন? এতে কি আপনার কোনো কাজে আসবে? পন্ডিত কিছু না বলে চলে যাই। হুজুর রোজ এই ভাবে ব্রাহ্মণ পন্ডিত কে অপমান করতে থাকে। রোজ এটা সেটা বলতে থাকে। ব্রাহ্মণ মনে মনে ভাবলো হুজুর তো আমার বিশ্বাস নিয়ে তামাশা করছে তাঁর একটা বিহেদ করতেই হবে। তো যেই বলা সেই কাজ। ব্রাহ্মণ পরের দিন তাঁর মৃত বাবার ফটো তে জুতার মালা পড়িয়ে মন্দিরের পাশে রেখে দিছে। হুজুর তো দেখে আগুন সে চিৎকার করে পন্ডিত কে বললো আমার বাবার গলায় জুতার মালা কে পড়াইছে দেখছো নাকি? (রাগান্বিত ভাবে)পন্ডিত হাসি দিয়ে বললো আমি পড়িয়ে রাখছি। হুজুর : আপনার সাহস কি করে হলো আমার বাবাকে অপমান করার? ব্রাহ্মণ : এটা আপনার বাবা কে বললো? এটা তো একটা কাগজের টুকরো 😄😄 হুজুর : ওই শালা পন্ডিত। দেখতে পারছিস না এখানে আমার বাবার ফটো রয়েছে। বলেই ব্রাহ্মণ এর উপর হাত উঠিয়ে দিলো। ব্রাহ্মণ এর হাতে ছিল ফল কাঁটা চুরি। কোনো কথা না বলেই হুজুরের গলার সাথে চুরি চেপে রেখে বললো। ওই মোল্লার বাচ্চা তোর যেমন এই কাগজের মধ্যে তোর বাপ্ দেখতে পাশ। ঠিক তেমন আমি ওই মূর্তির মধ্যে আমার ঈশ্বর দেখতে পায়। তুই রোজ এই মন্দিরের সামনে দিয়ে মসজিতে যাস। আমি কি আজ পর্যন্ত কোনো দিন বলেছি যে খালী ঘরে পোদ উঁচু করে কি শান্তি পাও? তাহলে তুই রোজ বলবি কেনো? রোজ বলো এই মূর্তি আমার জন্য কিছু করতে পারবে না। তাহলে চল আজ তোকে মসজিতে তোর আল্লাহর সামনে নিয়ে তোর গলা কাটবো। দেখি তোর বিশ্বাসী আল্লাহ তোকে বাচাইতে পারি কি না? যেই কথা সেই কাজ। হুজুরের ঠ্যাং ধরে টানতে টানতে মসজিতের সামনে নিয়ে বললো। ডাক তোর আল্লাহ কে। আজ আমার হাত থেকে তোকে বাঁচাতে পারে কি না। দেখবো আজ। হুজুর ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ব্রাহ্মণ এর পা ধরে মাফ চাইছে। আর বলছে ব্রাহ্মণ দাদা আমাকে মাফ করে দাও আর কখনো এমন করবো না।। ব্রাহ্মণ : আমার কাছে মাফ চেয়ে কোনো লাভ হবে না। আজ তোর আল্লাহ কে আসতেই হবে। তানাহলে আজ তোকে এই খানে গলা কাটবো। ব্রাহ্মণের মার খেয়ে হুজুর নেতিয়ে পড়ছে। ব্রাহ্মণ আবার বলতে শুরু করলো। আচ্ছা হুজুর আমি পূজা করি তাতে কি কারো ক্ষতি হচ্ছে? হুজুর : না ব্রাহ্মণ : দেশে দুর্ভিক্ষ আসছে? হুজুর : না ব্রাহ্মণ : আমার পূজা করাতে যদি কারো ক্ষতি, দুর্ভিক্ষ, কিছুই না হয় তাহলে তুমি আমার বিশ্বাস নিয়ে কথা বলো কেনো? এতক্ষনে হুজুর একটু স্বস্তির নিঃস্বাস নিয়ে বললো। আপনাদের কোনো শাস্ত্র তে তো বলে নাই যে মূর্তি পুজা করার কথা।। ব্রাহ্মণ : হুজুর কে আরো একটা গুতা মেরে বললো তাহলে শাস্ত্র থেকে তোকে বলছি। (ভগবত গীতা ৪/৬-৭ অজ অপি সন অব্যয় আত্মা ভূতানাম্‌ ঈশ্বর অপি সন । প্রকৃতিম্‌ স্বাম অধিষ্ঠায় সম্ভবামি আত্মমায়য়া ।) বল এই শ্লোকে কি বলছে? হুজুর: জানি না কি বলছে? ব্রাহ্মণ :-যদিও আমি জন্ম রহিত এবং আমার চিন্ময় দেহ অব্যয় এবং যদিও আমি সর্ব ভূতের ঈশ্বর তবুও আমার অন্তরঙ্গা শক্তিকে আশ্রয় করে আমি স্বীয় মায়ার দ্বারা আমার আদি চিন্ময় রুপে যুগে যুগে অবতির্ন হই। ব্রাহ্মণ : বল এখানে রূপ বলতে কি বুঝাইছে? কোষে এক তাপ্পর আবার হুজুরের গালে। বল রূপ মানে কি? হুজুর : চেহেরা বুঝাইছে। ব্রাহ্মণ : চলো আরো দেখায় (গীতা ৯/১৫ জ্ঞানযজ্ঞেন চ অপি অন্যে যজন্তঃ মাম্‌ উপাসতে । একত্যেন পৃথক্তেন বহুধা বিশ্বতমুখম্‌ ) অর্থ-অন্য কেউ কেউ জ্ঞান যজ্ঞের দ্বারা, অভেদ চিন্তাপুর্বক, কেউ কেউ বহুরুপে প্রকাশিত ভেদ চিন্তাপুর্বক, এবং অন্য কেউ আমার বিশ্বরুপের, উপসনা করে। তাছাড়া হিন্দুদেই মহা গ্রন্থ বেদে ও ঈশ্বর কে প্রতিমা রূপে পুজা করা কে সাপোর্ট করছে। ঋগবেদ ৮/১৮/৩ নং মন্ত্রে। যজুর্বেদ ১৮/৩ মন্ত্রে যজুর্বেদ ৮/১৬ নং মন্ত্র। যজুর্বেদ ১৩/৪৮ নং মন্ত্র অথর্ববেদ ২/৩/৪ নং মন্ত্রে এই রূপ বল কি?। হুজুর : চেহেরা। ব্রাহ্মণ: এখন বল আমার মন্দিরের মধ্যে কার পূজা করছিলাম আমি? হুজুর : কৃষ্ণের. ব্রাহ্মণ : কি ভাবে বুঝলে? হুজুর : কৃষ্ণ কে দেখলে তো চেনা যাই। হাতে বাসি, পাশে সাদা গরু। মাথায় মুহুরের ডানা ব্রাহ্মণ হুজুর কে আবার একটা লাথি দিয়ে বলে। তাহলে এতো দিন মূর্তি পূজা বললি কেনো? দেখলি যে আমি কৃষ্ণের পূজা করছি। হুজুর : ভুল হয়ে গেছে। মাফ করে দেন। আমি বুঝতে পারি নাই আপনি এতো সিরিয়াস হয়ে যাবেন। ব্রাহ্মণ : ঠিক আছে চোখ বন্দ করে আমাদের গণেশ দেবতা কেমন বলতো। হুজুর : গণেশ দেবতার মাথা হাতির, হাতে গদা, পেট অনেক মোটা, ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্রাহ্মণ এখন বল তুই যে আল্লাহ কে সেজদা দাও সেই আল্লাহ কেমন? চোখ বন্ধ করে বল। জানি না। আমি কখনো আল্লাহ কে দেখি নাই সে নিরাকার. Comming soon part 2 আল্লাহ নিরাকার নাকি সাকার

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের আইনে কি সবার জন্য সমান অধিকার প্রয়োগের অধিকার প্রধান করে.?

 সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে কিছু দিন আগে। এতে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুব সুন্দর , একজন অপরাধীর পরিচয়  সে একজন অপরাধী।  সে কোন ধর্মের অনুসারী, কোন দলের অনুসারী, তার জনমত কেমন, তা দেখে কি অপরাধীর অপরাধ বিচার করা হয়.?? প্রতিদিন ধর্ম তুলে প্রদীপের উপর যে নোংরা বুলি আওড়ানো হয় সেটা কখনোই আইনের শাসন হতে পারে না.! বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য যে বেআইনি কাজকর্ম করে তার অধিকাংশই কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের অনুসারী এখন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? ওসি প্রদীপ যদি সত্যিই অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমরা সবাই তার সঠিক সাজার দাবি জানাই কিন্তু তার আগে আমার কিছু কথা বলার আছে- ১.দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার কি আমরা পেয়েছি? তার খুনের ঘটনায় জড়িত সবাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেলের বাইরে। ২।চার বছরের ছোট শিশু পুজার ধর্ষণের মামলা কেন জুলে আছে?       ৩৮বছরের সাইফুল ইসলাম ছোট বাচ্চাটার যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে দিয়েছিল, সেই ঘটনার কোন বিচার হয়নি কেন? ৪।২০১৫ ...

স্বামী-স্ত্রীর বয়স সমাচার

নবী মুহাম্মদ= ৫৩ বছর- আয়শা- ০৬ বছর- ১৩ জন স্ত্রী, +যৌন দাসী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-=১৪ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর=   ২২ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র=              ১১ বছর- স্ত্রী ০৫ বছর- ০১ জন স্ত্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-  ১৪ বছর- স্ত্রী ০৬ বছর- ০১ জন স্ত্রী শিবনাথ শাস্ত্রী-        ১৩ বছর- স্ত্রী ১০ বছর-০১ জন স্ত্রী রাজনারায়ণ বসু-    ১৭ বছর- স্ত্রী ১১ বছর- ০১ জন স্ত্রী সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৭ বছর- স্ত্রী ০৭ বছর- ০১ জন স্ত্রী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর- ১৯ বছর- স্ত্রী ০৮ বছর- ০১ জন স্ত্রী উক্ত তালিকায় দেখুন স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য।  তাছাড়া, নবী মুহাম্মদ নিজেকে আল্লার প্রেরিত সর্ব শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ হিসেবে দাবী করেছেন; অন্যরা তা’ করেননি। মুহাম্মদ নিজেকে অনুকরন করতে বলেছেন; অন্যেরা তা’ বলেননি। নবী মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, আর নাঙ্গা তরবারী হাতে জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে; অন্যদের ক্ষেত্রে মোটেই তা’ হয়না। কোন ব্যক্তিই সমালোচনার উরদ্ধে নয়, তাহলে...

ব্লগার অভিজিৎ ও আবরার হত্যা

আবরার হত্যার দুই বছর অতিক্রম না করতেই তড়িৎ গতিতে আবরার হত্যার রায় দিয়ে দেওয়া হলো।  যেই রায় নিয়ে এখনও আছে অনেক সংশয়.!  সকল আসামি সত্যিই কি অপরাধী.? এমনকি হয়নিত যে তার প্রাপ্য সাজা থেকে অধিকতর বেশি সাজা পেয়েছেন..? প্রভৃতি নানা রকম প্রশ্ন এখনও থেকে যায়..! যদিও আসামিরা সকলেই ছাত্র, সে হিসাবে তাদেরকে সংশোধনের কোন ব্যবস্তা করা যেত কিনা সেটা আমি মনে করি.. ব্লগার, প্রকৌশলী, বুয়েটের সাবেক ছাত্র, লেখক, মুক্তমনা একজন দেশপ্রেমি শহিদ অভিজিৎ কে ২০১৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে প্রশাসন ও জনসম্মুখে দেশদ্রোহী উগ্রপন্থিরা হত্যা করল.! এত বছর পেরিয়ে যাবার পর আমাদ এই দেশ, প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধা, মিডিয়া, সাংবাদিক, লেখকসহ সকল সচেতন ব্যক্তি, যারা বলে এই দেশ সবার, আমরা সবাই ভাই ভাই, আইন সবার জন্য সমান, দেশপ্রেমের উর্দে কিছু নেই এই জাতীয় মনগড়া সুরসুরি দেয়, তারা অভিজিৎ হত্যার জন্য কি করেছেন.???? তাহলে আমরা এটা থেকে কি শিখতে আগ্রহী হবো.???? আমি প্রকাশ্যে এই দেশে, এইদেশের জনগণের প্রতি ধিক্কার জানাতে পারব, আমি যে এদের প্রতি ঘৃনা জানাতে পারব.????